শর্মিস্ঠা


সেদিন ছিলো রোদ্রৌজ্জ্বল ও পরিস্কার দিন। প্রতিদিনের মত সকালে ব্যাবসায়ীরা ব্যাবসায় ও চাকরিজীবিরা যে যার চাকরিতে সময় মত চলে গেছে।এদিকে জিৎ মাধ্যমিক পরিক্ষা দিয়ে বসে আছে। কারন পরিক্ষার ফল না বের হলে সে কোন হাইয়ার সেকেন্ডারী স্কুলে ভর্তি হতে পারবে না।তাই সে মনের আনন্দে ছুটির দিন গুলি যৎপরোনাস্তি উপভোগ করতে লাগলো।দেখতে দেখতে সেই উপভোগ্য দিন গুলি যেন ফুরিয়ে আসতে লাগলো।এবং অবশেষে তা অন্তিম ক্ষনে এসে দাড়ালো।আজ রোজ সোমবার জিৎ এর মাধ্যমিক পরিক্ষা রেজাল্ট বের হবে। রেজাল্ট নিয়ে জিৎ এর মনে কোন প্রকার উদ বেগ নেই।নেই কোন চিন্তা। কিণ্তু তার সাথে যারা পরিক্ষা দিয়েছে অর্থ্যাৎ তার সহপাঠীদের চোখে মুখে যেন শ্রাবনের কালো ছায়া।জিৎ এর বাড়ির পাশে ছিল গৌতম কুন্ডুর ‘‘কুন্ডু জুয়েলার্স’’।সেই গৌতম কুন্ডু জিৎ কে প্রশ্ন করে যে, ভাই আজ না তোমার মাধ্যমিক পরিক্ষার ফলাফল বের হবে?জিৎ জানায় তাতে কি হয়েছে।সে বলে তোমার ভয় লাগছে না?জিৎ বললো যেমন পরিক্ষা দিয়েছি ফল তো সেই রূপই হবে চিন্তা করে কি লাভ।তখন সে বলল তাই তো।এদিকে তার এক কাস্টমার দোকানে আসায় তাদের এই আলোচনার ইতি টানতে হল।জি ঘরে গিয়ে খাওয়া শেষ করে এবং সাইকেল নিয়ে তার এক বন্ধু, সানিকে ডাকতে সানিদের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়।সানিদের বাড়ির গেটে যেতে না যেতে দ্যাখা হল আর এক বন্ধু রিন্টুর সাথে।ও যাচ্ছিলো সানিকে ডাকতে সানিদের বাড়ি।তাই দুজনে মিলে এক সাথে সানিদের বাড়ির দরজায় হাজির হলো।এবং কলিং বেল চাপলো জিৎ।বেল বাজতে না বাজতে গেটের সামনে এসে হাজির হলো সানির মা।বললো আয় বাবা ভিতরে এসে বস, ও দুটো ভাত খেয়ে আসছে ।তাই অগত্তা না বসে পারলো না তারা।খানেক খন বাদে এসে হাজির হল সানি।এসেই বলল চল আমি রেডি।